বৃহস্পতিবার ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্য

স্থলবন্দরে কাঠ ও করিডরে গবাদিপশু আমদানি বন্ধ

জাকারিয়া আলফাজ, টেকনাফ   |   মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

স্থলবন্দরে কাঠ ও করিডরে গবাদিপশু আমদানি বন্ধ

মিয়ানমার অভ্যন্তরীন গোলযোগের কারণে সীমান্ত বাণিজ্যে প্রভাব পড়েছে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পন্য আমদানি বন্ধ রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। এছাড়া টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ করিডরে গবাদি পশু আমদানিও বন্ধ রয়েছে প্রায় বিশ দিন। এতে সীমান্ত বাণিজ্যেরা ব্যবসায়ীরা শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।
টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ জানায়, চলতি বছর ২২ জানুয়ারীর পর থেকে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ করিডোরে পশু আমদানি বন্ধ রয়েছে। যে ২২ দিন পশু আমদানি হয়েছে তাতে ৩ হাজার ৩৯১টি গরু, ৪৪০টি মহিষ আমদানী করে ১৯ লাখ ১৫ হাজার ৫শ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়।
এছাড়া একই সময়ে টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশন স্থলবন্দরে পন্য আমদানি-রপ্তানিতে রাজস্ব আদায় করেছে ২২ কোটি ১০ লাখ টাকা। সে মাসে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট ছিল ১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। টার্গেটের চেয়ে ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছেন। চলতি ফেব্রুয়ারী মাসে রাজস্বের টার্গেট পূরন নিয়ে সংকিত বলে জানায় বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী ও শাহপরীর দ্বীপ করিডরের পশু আমদানিকারকরা জানান, গত ২০ দিন ধরে বন্দরের কাঠসহ অন্যান্য পন্য আমদানি বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি শাহপরীর দ্বীপের গবাদি পশু আমদানির করিডরে কোন পশু আমদানি হয়নি। তবে স্থলবন্দর ও করিডরের স্থবিরতা কতসময় চলবে তা কেউ বলতে পারছেননা।
টেকনাফ উপজেলা পশু আমদানি কারক সমিতির সভাপতি আবদুল্লাহ মনির বলেন, ‘মিয়ানমারে অভ্যন্তরীন সমস্যার কারনে সে দেশের ব্যবসায়ীরা পশু আনা নিরাপদ মনে করছেন না। এমন শঙ্কায় সেদেশের ব্যবসায়ীরা পশু পাঠাচ্ছেনা। পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে ফের পশু আমদানি শুরু হবে বলে মনে করি।’
তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি সে দেশে অভ্যন্তরীন সমস্যায় সীমান্তে নিরাপত্তা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। যার ফলে গত বিশ দিন ধরে পশু আমদানী বন্ধ রয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়িক লোকসানের সম্মুখিন হতে পারে ব্যবসায়ীরা।
পশু ব্যবসায়ী সাবরাং এলাকার মোঃ শরীফ বলেন, দেশে গবাদি পশুর চাহিদা পূরনে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানী করা হয়। বর্তমানে সেদেশের সমস্যার ফলে পশু আসছেনা। মিয়ানমার থেকে পশু না আসায় গবাদি পশুর চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের পন্য আমদানিকারক মোঃ সেলিম বলেন, টেকনাফ সীমান্ত বানিজ্যে পন্য আমদানী বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমার থেকে প্রতিমাসে বিপুল পরিমান কাঠ আমদানী হয়। গত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বন্দরে কাঠ আমদানী বন্ধ রয়েছে।
টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাশ বলেন, পশুর করিডোর থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পশু ব্যবসায়ীদের সহায়তায় তা আদায় করা সম্ভব হচ্ছে। গত জানুয়ারী মাসের শেষে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীন সমস্যার কারনে গবাদি পশু আসা বন্ধ রয়েছে। এমনকি সীমান্ত বানিজ্যের পণ্য আমদানিতেও এর প্রভাব পড়ে। যার ফলে ফেব্রুয়ারী মাসে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পূরন নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

Comments

comments

Posted ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com