সোমবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

১০ দিনের মধ্যে লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে: হাই কোর্ট

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

১০ দিনের মধ্যে লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে: হাই কোর্ট

হত্যাকাণ্ডের ১০ দিনের মধ্যে মৃতদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট হাকিম আদালতে দাখিল করতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের (আইও) নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

জোড়া খুনের মামলার এক আসামির জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার পর্যবেক্ষণসহ এ আদেশ দেয়।

স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)) ও আইজি প্রিজনকে আদেশর আদেশের অনুলিপি পাঠাতে বলা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির মঞ্জু।

ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাগেরহাটের দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফকির জোড়া খুন মামলায় জামিন নিতে এসেছিলেন। তার জামিন আবেদনের শুনানি করতে গিয়ে দেখা যায়, মামলার রেকর্ডে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন নেই।

তিনি বলেন, তখন আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের উপ-পরিদর্শক ঠাকুর দাস মণ্ডলকে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতের নির্দেশের পরও প্রতিবেদন দাখিল না করায় তদন্ত কর্মকর্তা ঠাকুর দাস মণ্ডলকে গত ৬ মে তলব করে হাই কোর্ট।

“আজ হাজির হয়ে সে তদন্ত কর্মকর্তা সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাই কোর্টে নিয়ে আসেন। একই সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল করতে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করার পর আদালত আসামির আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে এ আদেশ দিয়েছেন।”

গত বছরের ১ অক্টোবর দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী দিহিদারকে (৫২) বাড়ি থেকে ও যুবলীগ নেতা শুকুর আলী শেখকে (৪০) দৈবজ্ঞহাটি বাজার থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। জোড়া খুনের ঘটনার মামলায় প্রধান আসামি চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরসহ ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আবুয়াল ফকির, চৌকিদার আবুল শেখ, জুলহাস ডাকুয়া ও কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর জামিন চেয়ে নিম্ন আদালতে আবেদন জানায় মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ফকির। সেখানে জামিন না পেয়ে হাই কোর্টে জামিন আবেদন করেন। সে আবেদনের শুনানিতেই উঠে আসে মামলার সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না থাকার বিষয়টি।

Comments

comments

Posted ১০:৫৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com