শনিবার ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বেকার দেড় হাজার ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী

শহীদুল্লাহ্ কায়সার   |   সোমবার, ২৭ মে ২০১৯

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বেকার দেড় হাজার ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী

২০ মে থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণের উপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। আগামি ২৩ জুলাই শেষ হবে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কাল। এই দীর্ঘসময়ে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ।
মাঝি-মাল্লাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী। যদিও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সংখ্যা দশ হাজারের কম হবে না। যাঁরা মাছের পল্টন থেকে মাছ কিনে তা বাজারে এনে বিক্রি করতেন। অনেকেই নুনিয়াছড়াস্থ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে ভেড়া ফিশিং বোট থেকে মাছ কিনে বিক্রি করতেন অন্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে।
নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই এসব ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ীরা এখন বেকার। অনেকেই সকাল-বিকাল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে যান। কোন ফিশিং ট্রলার ঘাটে ভিড়েছে কিনা তা দেখতেই তাঁদের এই যাতায়াত। কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরতে হয়। কারণ ইতোমধ্যেই প্রায় সব ফিশিং বোট ঘাটে নোঙর করেছে। ফলে তাঁরা মাছ না পেয়ে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়েই ফিরে আসেন।
নুনিয়াছড়াস্থ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে নেই আগের মতো জমজমাট অবস্থা। পুরো পল্টনই ফাঁকা। মানুষবিহীন খাঁ খাঁ করছে পুরো অবতরণ কেন্দ্র। মাঝে মাঝে কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আসেন। কেন্দ্রে থাকা হিমাগার (কোল্ড স্টোরেজ) থেকে মাছ কিনেই তাঁরা ফিরে যান। সেই মাছ কিনতেও লাগে মৎস্য অফিসের অনুমতিপত্র। মাছের পাশাপাশি বরফ কিনতেও লাগে ছাড়পত্র। সবকিছু জোগাড় করেই সামান্য মাছ কিনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যান তাঁরা। তবে এই সংখ্যা হাতে গোনা। অধিকাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীই এখন বেকার জীবন-যাপন করছেন।
মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গেলে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী মোঃ ফরহাদের। তিনি বলেন, ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞার কারণেই আমরা বুঝতে পারছি সরকার আমাদের উপকারের জন্যই এটি করেছে। কিন্তু এই পেশা ছাড়া অন্য কোন পেশায় আমরা জড়িত নই। হঠাৎ মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় বিকল্প পেশাও খুঁজে পাচ্ছি না। তাছাড়া সরকারিভাবে আমাদের কোন সাহায্য-সহযোগিতা করা হবে না। এ কারণে আমাদের পক্ষে এই দীর্ঘসময় ধরে সংসার চালানো খুব কঠিন হবে।
এই দীর্ঘ সময় কিভাবে চলবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ বলেন, আমাদের ভরসা এখন এনজিও। এনজিও থেকে ঋণ নিয়েই এবার ঈদ উদযাপন করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে, সরকারিভাবে আমাদের সহযোগিতা করা হলে উপকৃত হতাম।

Comments

comments

Posted ১:৫১ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২৭ মে ২০১৯

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com