মঙ্গলবার ৩০শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন মৌসুম

রফিক উদ্দিন বাবুল, উখিয়া   |   শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮

ইলিশের নিরাপদ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে সাগর ও নদ নদীতে। প্রজনন মৌসুমের ১৪ দিন পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নিবন্ধিত ৩৩৯২ জন জেলে সরকারি ভাবে কোন খাদ্য সহায়তা পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে জেলে পরিবারে নেমে এসেছে সীমাহিন দুর্দিন। খেয়ে না খেয়ে দিন গুনতে হচ্ছে জেলে পরিবারদের। শুক্রবার উপকূলীয় এলাকা সোনার পাড়া ও রেজুর মোহনা ঘুরে জেলেদের সাথে কথা বলে জানতে চাওয়া হলে এসব অভিযোগ উঠে আসে।
ছোয়াংখালী এলাকার মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির নেতা সাহাব উদ্দিন জানান, মা ইলিশ রক্ষা ও ইলিশের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষে সরকার ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ২২ দিন সাগর ও নদ নদী থেকে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর এ সময়ে হতদরিদ্র জেলেদের আর্থিক দৈন্যদশা দূরী করনের জন্য বরাদ্ধকৃত পরিবার পিছু ২০ কেজি করে চাল সরবরাহ দেওয়ার কথা থাকলেও ১৪ দিনেও তা দেওয়া হয়নি। মাছ ধরা সর্বস্ব পেশা নিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসা এসব জেলেদের অন্য যে কোন পেশার প্রতি আগ্রহ না থাকায় পরিবার পরিজনের চাহিদা মেঠাতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোনার পাড়া ঘাটে এফ বি বাদশা নামের ফিসিং বোটের মালিক সোনালী (৪৫) জানান, তার ট্রলারে নিয়মিত ১০জন জেলে কাজ করে থাকে। এসব জেলেরা পরিবারের ভরন পোষন সহ বিভিন্ন চাহিদা মেঠাতে পারছেনা। তাই বাধ্য হয়ে আরদদারের নিকট থেকে ১লক্ষ টাকা দাদন নিয়ে জেলেদের দিতে হয়েছে। এভাবে একাধিক জেলে, ফিসিং বোটের মালিক ও মাঝিরা সরকারি সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তোলে তাদের অভাব অভিযোগের কথা পত্রিকান্তরে প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরুধ জানান। তারা এও বলেন, সরকারি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তারা সাগর ও নদ নদী থেকে সরকারি বেধে দেওয়া সময় সীমার ভিতর মাছ আহরন বন্ধ রেখেছে। কিন্তু তাদের জন্য বরাদ্ধকৃত সহায়তা গুলো দেওয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ এরশাদ বিন শাহীন জানান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের ত্রান শাখা থেকে ৭৩৫জন জেলের জন্য ২০ কেজি করে চাল উখিয়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট পাঠানো হয়েছে। তিনি এসব চাল জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিতরন করার কথা রয়েছে। নিবন্ধিত বাকী ২৬৫৭জন জেলের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ওই কর্মকর্তা জানান, চাহিদা পত্র দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বাকী জেলেদেরও চাল দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সুযোগ পেলে জেলেরা সাগর থেকে মাছ আহরন করছে। তবে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করার কারনে তাদের দমন করা যাচ্ছে না। ততাপিও গত ১৪ দিনে সোনার পাড়া ও রেজু খালের মোহনায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও কোটবাজার থেকে ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়েছে।
দেশবিদেশ /২০ অক্টোবর ২০১৮/নেছার

Comments

comments

Posted ৯:৫৩ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮

ajkerdeshbidesh.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক : তাহা ইয়াহিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
০১৮১২-৫৮৬২৩৭
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com