দেশবিদেশ ডেস্ক: | বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 15 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যমান জটিলতাগুলো দ্রুত সমাধান করে আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই গেজেট জারি করতে চায় সরকার। এ উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করতে বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে তা আইন মন্ত্রণালয়ে আইনগত যাচাই বা ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিংসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন। তবে নতুন পে স্কেল চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী হিসাব করে পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে।
এর আগে আগস্টের মধ্যেই গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বেতন বাড়ানোর হার, ভাতা এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্য নিয়ে আরও পর্যালোচনার প্রয়োজন হওয়ায় সেই সময়সীমা পিছিয়ে যায়।
এদিকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে আরও একটি বৈঠক হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় যাবে। চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে বলেও জানান তিনি।
তবে আর্থিক সংকটের কারণে নতুন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা কার্যকর হতে পারে।
এদিকে পে কমিশনের সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ও চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।