ভিডিও সূত্র অনুযায়ী, কক্সবাজার-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে মতবিনিময় উপলক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে জাফর আহমদ অতিথির আসনে না বসে সাধারণ অংশগ্রহণকারী হিসেবে এক পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন।
৫ আগস্টের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে জানা যায়। পরে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বাসাবো এলাকা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, জাফর আহমদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২টির বেশি মামলা রয়েছে। টেকনাফে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে। এছাড়া, ১৮ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলাতেও তিনি আসামি।
এর পাশাপাশি, ৫ আগস্ট টেকনাফে বিএনপি নেতাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় করা তিনটি মামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িত রয়েছে।
জাফর আলম চেয়ারম্যান কবে মুক্তি পেয়েছেন- এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন থাকলেও এ বিষয়ে তাঁর সরাসরি কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি সম্প্রতি মুক্তি পান। মুক্তির পর থেকে তিনি বেশিরভাগ সময় চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।