সিরাজুল ইসলাম রাব্বি উখিয়াঃ | বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 89 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
জালিয়াপালং= টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বরাদ্দ- ৩৭৭৯টি, স্মার্ট কার্ড পেয়েছে- ২৮১৭টি।
রাজাপালং= টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বরাদ্দ- ৪৫১৩টি, স্মার্ট কার্ড পেয়েছে- ১৪৬৯টি।
রত্নাপালং=টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বরাদ্দ- ১৭৮৬টি, স্মার্ট কার্ড পেয়েছে- ১৫৩৭টি।
হলুদিয়াপালং= টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বরাদ্দ- ৩৭৬৪টি, স্মার্ট কার্ড পেয়েছে- ২৯৫৬টি।
পালংখালী=টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বরাদ্দ- ২৬০৫টি, স্মার্ট কার্ড পেয়েছে- ১৯৩০টি।
পূর্বে ম্যানুয়াল কার্ড থাকলেও বর্তমানে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ অনলাইনে উপকারভোগীর সকল তথ্য এন্ট্রি দিয়ে উপজেলায় পাঠায়, উপজেলায় অনুমোদন এর পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক স্যার এর অনুমতি ক্রমে মন্ত্রণালয়ে যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদনের পর স্মার্ট কার্ড ছাপা হয়। ছাপানো স্মার্ট কার্ড গুলো জেলা হয়ে উপজেলায় এসে পৌছায়। উপজেলা হতে কার্ড গুলো ইউনিয়নে পাঠানো হয়। এবং এই কার্ড গুলো ইউনিয়ন পর্যায়ে উপকারভোগীর উপস্থিতিতে এক্টিভেট করা হয়। বর্তমানে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
উপজেলায় মোট বরাদ্দকৃত উপকারভোগীর সংখ্যা ১৬৪৪৭ জন। এক্টিভেট কার্ডের সংখ্যা ১০৭০৯ টি। নতুনভাবে বিতরণ এর জন্য এসেছে ২০৮৫ টি।
বাকি কার্ড অনুমোদন অপেক্ষমান এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রম চলমান।
টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এসব ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকার স্বল্প আয়ের মানুষকে নায্য মূল্যে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য সরবরাহ করে আসছে।
এখন পর্যন্ত উখিয়া উপজেলায় ১০৭০৯টি কার্ড সক্রিয় আছে; যেসব কার্ডে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য কেনা যাচ্ছে। বাকি ২০৮৫ টি কার্ড সম্প্রতি বিতরণ করা হয়েছে; এগুলো অ্যাকটিভেশন পর্যায়ে আছে।
টার্গেট অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে অবশিষ্ট স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকারের পক্ষ হতে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারীদের কাছে সয়াবিন তেল, মশুর ডাল, চিনি, ছোলা, আলু, পেঁয়াজ, খেজুর, রাইস ব্রান তেল, পাম তেল, সূর্যমুখী তেল, ক্যানোলা তেল, ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন পণ্য নায্য মূল্যে বিক্রি করা হয়।
বিভ্রান্তমূলক তথ্য না ছড়ানোর জন্য সকলকে অনুরোধ করা হলো।