| শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 14 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ভারত। শুক্রবার (২২ মে) ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে বিষয়টি অবহিত করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ফিরিয়ে নেয়ার পর তাদের ভারতীয় নাগরিকত্বের দাবির সত্যতা যাচাই করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে বলেন, মামলার বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবং ভবিষ্যতের অন্য মামলার জন্য এটিকে নজির হিসেবে গণ্য না করার শর্তে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মেহতা বলেন, ‘সরকার তাদের ফিরিয়ে আনবে এবং এরপর তাদের অবস্থান পরীক্ষা করবে। ফলাফলের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
ভারতের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা আরও জানান, ওই ব্যক্তিদের ভারতে ফিরিয়ে আনতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগতে পারে।
২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সোনালি খাতুন ও অন্যদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে সেটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই আদেশকে সর্বোচ্চ আদালতে চালেঞ্জ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই চ্যালেঞ্জের শুনানির সময়ই বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া আরও কয়েকজনকে ভারতে ফিরিয়ে নেয়ার কথা জানান সলিসিটর জেনারেল।
এর আগে গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ‘মানবিক কারণে’ সাবিনা খাতুন ও তার আট বছর বয়সী সন্তানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেয় সর্বোচ্চ আদালত। কয়েক মাস আগে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছিল।
আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নাবালকের দেখভালের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি বীরভূম জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অন্তঃসত্ত্বা সাবিনা খাতুনের জন্য বিনামূল্যে প্রসবসহ সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা দেয়ার নির্দেশ দেয়।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নির্বিচারে অনেক ভারতীয় মুসলিম নাগরিককে রাতের আঁধারে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া হয়। এর মধ্যে সাবিনা খাতুনের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে অমানবিক আচরণের কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত।