| বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 22 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার আগে আবাসন ও ন্যূনতম জীবনযাপনের সহায়তার ব্যয় বাবদ প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত পরিশোধ করতে হতে পারে। অবৈধ অভিবাসন নিরুৎসাহিত করার সর্বশেষ উদ্যোগ হিসেবে সোমবার (২৯ জুন) এ প্রস্তাবের কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার।
জিও নিউজের খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে অভিবাসন অন্যতম বিতর্কিত ইস্যু। জনমত জরিপে এটি নিয়মিতভাবে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয়গুলোর একটি হিসেবে উঠে আসে এবং অনেক সময় বিক্ষোভ ও সামাজিক উত্তেজনারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মধ্য-বামপন্থি লেবার পার্টির সরকার বৈধ ও অবৈধ- উভয় পথেই অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। একই সঙ্গে আশ্রয়প্রার্থী ৬ লাখ মানুষকে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দেয়া নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন রিফর্ম ইউকে পার্টির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মোকাবিলাও করতে চাইছে দলটি।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, ‘নতুন সংস্কারের উদ্দেশ্য করদাতাদের ওপর চাপ কমানো। আশ্রয় সহায়তা পাওয়া একটি অধিকার, তবে এটি একটি দায়িত্বও। মানুষ যখন কাজ করার এবং ব্রিটিশ জনগণের উদারতার প্রতিদান দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে, তখন আমরা আশা করি তারা তা করবে।’
সরকার জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী কেবল যেসব প্রাপ্তবয়স্ক এ অর্থ পরিশোধে সক্ষম, তাদের কাছ থেকেই অর্থ নেয়া হবে। একই সঙ্গে এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে তারা চরম দারিদ্র্যের মধ্যে না পড়েন। এ নিয়ম অতীতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং শিশুরাও এ অর্থ পরিশোধের আওতামুক্ত থাকবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, অস্থায়ী আবাসনে একজন আশ্রয়প্রার্থীর থাকার জন্য প্রতি রাতে গড়ে ২৩ দশমিক ২৫ পাউন্ড এবং হোটেলে থাকার জন্য ১৪৪ পাউন্ড ব্যয় হয়। এর পাশাপাশি সাপ্তাহিক ভরণপোষণ ভাতাও দেয়া হয়। সব মিলিয়ে গত বছর আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ও সহায়তা কর্মসূচিতে সরকারের মোট ব্যয় ছিল প্রায় ৪০০ কোটি পাউন্ড।