জানা গেছে, গত বছরের ১ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড শাখায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও গড়মিলের তথ্য পায়। অভিযানের সময় দুদক কর্মকর্তারা এক ভুক্তভোগীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। তখন ওই ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সরকারি খরচ ১১ হাজার টাকা হলেও অথরাইজড অফিসার রিশাদ উন নবী তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কউকের অথরাইজড শাখাকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ভবন নির্মাণের অনুমোদন, নকশা অনুমোদন, ৫ তলার অনুমোদন দিয়ে ৭ তলা ভবন নির্মাণের সুযোগ দেওয়া এবং ঘুষ না দিলে ভবন নির্মাণের অনুমতি না দেওয়ার মতো নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন অথরাইজড অফিসার রিশাদ উন নবী।
দুদকের অভিযানের সময় কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন রিশাদ উন নবী বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত এক আদেশে জানানো হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পূর্বতন একটি প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ রিশাদ উন নবীকে তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে।
জনস্বার্থে তার প্রেষণাদেশ বাতিল করে পরবর্তী পদায়নের লক্ষ্যে তাকে পুনরায় গণপূর্ত অধিদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়েছে।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) লে. কর্নেল আবু নাঈম মো. তালাত এ আদেশ জারি করেন।