মঙ্গলবার ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
বিতর্কে কলাতলীর শালিক রেস্টুরেন্ট

রেষ্টুরেন্টের আড়ালে নাসির-মুজিব-সাজাদ শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ   |   বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   54 বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রেষ্টুরেন্টের আড়ালে নাসির-মুজিব-সাজাদ শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট

কক্সবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোন কলাতলীতে অবস্থিত শালিক রেস্টুরেন্টকে ঘিরে একের পর এক বিতর্কের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক নাছির উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, মাদক বাণিজ্যের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হলেই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি গত ১১ মে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুজিব নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, শালিক রেস্টুরেন্টের মালিক নাছির উদ্দিন ও তার সহযোগী ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ তাকে কৌশলে অপহরণ করে প্রায় ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে তিনি অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ দেখাতে পারেননি। নিজেকে রেস্টুরেন্টটির একজন সাধারণ ম্যানেজার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলেও বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, মাদক বাণিজ্যের টাকার ভাগাভাগি নিয়েই মূলত এই বিরোধের সূত্রপাত।

এর আগে গত ২৭ এপ্রিল দিবাগত রাতে রেস্টুরেন্টটির স্টাফ কোয়ার্টার থেকে সাইফুল ইসলাম সুমন (৪২) নামে এক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি রহস্যজনক হলেও তা নিয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মচারীর অভিযোগ, রেস্টুরেন্টটির মালিক নাছির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।

এদিকে নারী কর্মীদের নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ২০২৩ সালের একটি রেকর্ডের বরাত দিয়ে জানা যায়, শালিক রেস্টুরেন্টে ২১ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তরুণীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, চাকরির শর্ত হিসেবে তাদের স্টাফ কোয়ার্টারে অবস্থান বাধ্যতামূলক করা হয় এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

ওই সময় নির্যাতনের শিকার এক তরুণীকে সহায়তা করার অভিযোগে খালেক ও আবদুল্লাহ নামের দুই কর্মচারীকেও মারধরের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। আবদুল্লাহর দাবি, প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু নারী কর্মীকে বিভিন্ন হোটেলে পাঠিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চাপ দেওয়া হতো। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments Box

Comments

comments

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

প্রকাশক ও সম্পাদক
তাহা ইয়াহিয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
বিজয় কুমার ধর

যোগাযোগ

প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত

মোবাইল : বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন : 01828090145, 01812586237

ই-মেইল: ajkerdeshbidesh@yahoo.com