দেশবিদেশ ডেস্ক: | শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 91 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সব নির্বাচনেই এখানে বিএনপি একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছে, বিশেষ করে প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনবার এই আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।
তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জিয়া পরিবারের সদস্যদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান কিংবা মেয়ে জাইমা রহমানকে এই আসনে প্রার্থী করার দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান এবং সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদারসহ বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, বগুড়া জিয়া পরিবারের আসন হিসেবে পরিচিত; তাই এখানে পরিবারের কেউ নাকি স্থানীয় কোনো যোগ্য নেতা মনোনয়ন পাবেন, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বগুড়া-৬ আসনটি বরাবরই বিএনপির জন্য সম্মান ও আস্থার প্রতীক। বেগম খালেদা জিয়ার পর তারেক রহমান এই আসনে বিশাল জয় পাওয়ায় এখন উপনির্বাচনেও জিয়া পরিবারের উত্তরসূরিদের দেখার প্রত্যাশা করছেন সাধারণ ভোটাররা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার চায়ের আড্ডায় ডা. জুবাইদা রহমান এবং জাইমা রহমানের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে। নেতাকর্মীদের মতে, তারা প্রার্থী হলে জিয়া পরিবারের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।
পরিবারের বাইরেও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাসহ সাইফুল ইসলাম ও মওদুদ হোসেন আলমগীরের মতো দক্ষ নেতাদের নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। দলের হাইকমান্ড স্থানীয় জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দিলে এদের মধ্য থেকেও কেউ পেয়ে যেতে পারেন কাঙ্ক্ষিত টিকিট।
বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের মতে, দল এখন জনবান্ধব সংস্কারে ব্যস্ত। তবে তফসিল ঘোষণার পর পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মর্যাদাপূর্ণ আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন।