শফিকুর রহমান | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 22 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সোমবার (৬ জুলাই) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদফতরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ডা. বি. এন. পাল মেমোরিয়াল হলে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. মংটিং অং বলেন, ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু হলে কক্সবাজারের কিডনি রোগীদের চিকিৎসার জন্য আর জেলার বাইরে ছুটতে হবে না। স্থানীয়ভাবেই আধুনিক ডায়ালাইসিস সেবা নিশ্চিত হওয়ায় রোগীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
তিনি জানান, হাসপাতালের আইসিইউ ও সিসিইউ সেবাকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে।
কর্মশালায় সমাজসেবা অধিদফতরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহি নেওয়াজ বলেন, রোগী কল্যাণ সমিতি অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসাসহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগী কল্যাণ সমিতির সমন্বিত উদ্যোগে রোগীদের জন্য আরও উন্নত, মানবিক ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।
দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের দাবিতে জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক কর্মী ও সচেতন নাগরিক আন্দোলন, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এ দাবির পক্ষে কক্সবাজারের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শামিম আরা স্বপ্নাও বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্যোগ ও তদবির চালিয়ে আসেন। অবশেষে দীর্ঘদিনের সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের জন্য ডায়ালাইসিস সেন্টারের অনুমোদন এলো।
রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কৌশিক খাঁনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজসেবা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল আওয়াল, রোগী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি জেবর মুল্লুক, অর্থ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর হেলেনাজ তাহেরা, কার্যনির্বাহী সদস্য সাংবাদিক শামসুল হক শারেক, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা জামশেদ, অধ্যাপক আনোয়ার এবং মাস্টার বোরহান উদ্দিন।