দেশবিদেশ ডেস্ক: | শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 12 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রে মোতায়েন থাকা লিংকনের নাবিকদের জীবনযাপন ও কাজের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই রণতরী বদলের খবর এলো। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে গত ২০০ দিনে কোনও বন্দরে থামেনি রণতরীটি। এ কারণে রণতরীতে থাকা নাবিকদের জীবনযাপন ও কাজের পরিবেশ নিয়ে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত বছরের নভেম্বরে মোতায়েন করা হয়। পরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর আগে জানুয়ারিতে এটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। অপারেশন এপিক ফিউরিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই রণতরী ও এতে থাকা যুদ্ধবিমানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এরপর থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকর করতেও এটি সহায়তা করছে।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযান এবং অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে নাবিকদের ওপর চাপ বেড়েছে। রণতরীতে থাকা নাবিকদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কাছে আরও তথ্য চেয়েছেন তারা।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ভারপ্রাপ্ত নৌমন্ত্রী হাং কাওকে লেখা এক চিঠিতে সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল বলেন, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতি, পানিদূষণ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, ডেকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং ডাকব্যবস্থায় বিঘ্নের মতো নানা সমস্যার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি কয়েক মাস ধরে রণতরীতে পাঠানো নাবিকদের পরিবারের অনেক পার্সেল পথেই হারিয়ে গেছে।’
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য মার্লিন স্টুটজম্যান বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, তিনি পেন্টাগন ও প্রশাসনের কাছে পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইবেন। তার মতে, সামরিক সদস্যরা যথাযথভাবে দেখভাল পাচ্ছেন— এ বিষয়ে তাদের আস্থা থাকা প্রয়োজন।
স্টুটজম্যান বলেন, ‘দিন শেষে যারা দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের যথাযথভাবে দেখভাল করাটা জরুরি।’