দেশবিদেশ ডেস্ক: | শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 23 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফ্লোরিডার মিয়ামি গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচের আগে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে হতাশার কথাই তুলে ধরেন।
এখন রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তার আগের দিন তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করার লড়াইয়ে নামবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি।
ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলের জন্যও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে তার রক্ষণাত্মক কৌশল ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ম্যাচটির গুরুত্ব কমিয়ে দেখছেন না তিনি।
টুখেল বলেন, ‘আগামীকালের এই ম্যাচে কেউই খেলতে চায় না। শেষ চারটি দলের সবাই নিউইয়র্কে ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল। কিন্তু এটি বিশ্বকাপের একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। ইংল্যান্ডের জন্য গত ৬০ বছরের মধ্যে সেরা ফল অর্জনের সুযোগ এটি। মানসিকতা এমন কিছু নয়, যেটা ইচ্ছামতো চালু বা বন্ধ করা যায়। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আমরা যে মানসিকতা দেখিয়েছি, সেটাই আবার প্রমাণ করার সুযোগ এটি।’
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের জন্য। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল করে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সমান অবস্থানে আছেন তিনি। তবে টাইব্রেকারে এগিয়ে আছেন মেসি, কারণ তার অ্যাসিস্ট সংখ্যা চারটি, যেখানে এমবাপ্পের তিনটি। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামও ছয়টি করে গোল নিয়ে এখনও লড়াইয়ে আছেন।