সিরাজুল ইসলাম রাব্বি-উখিয়াঃ | শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 64 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক রাতের ব্যবধানে এসব ব্যানার সরিয়ে ফেলা হলেও একই স্থানে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার অক্ষত অবস্থায় ঝুলতে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকায় উভয় প্রার্থীর ব্যানার পাশাপাশি টাঙানো ছিল। তবে মঙ্গলবার গভীর রাতে দাড়ি পাল্লার সব ব্যানার অপসারণ করা হয়। বুধবার সকালে এলাকাবাসী দেখতে পান, দাড়ি পাল্লার কোনো ব্যানার নেই, অথচ ধানের শীষের ব্যানার আগের মতোই রয়েছে।
এ ঘটনায় দাড়ি পাল্লার সমর্থক ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, এটি পরিকল্পিতভাবে বিএনপি সমর্থকদের করা কর্মকাণ্ড। তাদের দাবি, শুধু রাজাপালং নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানেও দাড়ি পাল্লার ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা ও অপসারণের অভিযোগ বারবার উঠে আসছে।
দাড়ি পাল্লার স্থানীয় নেতা-কর্মীরা আরও জানান, বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত নির্বাচনী আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে- কোনো প্রার্থী বা তার সমর্থক অন্য প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী নষ্ট, অপসারণ বা ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। আচরণবিধি প্রকাশের পরও বিএনপি সমর্থকরা তা উপেক্ষা করছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলছেন, এভাবে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তাহলে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসন কি তবে একটি দলকে পরোক্ষভাবে নির্বাচনী সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে দাড়ি পাল্লার সমর্থকরা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
এলাকাবাসীর মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে, যা সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।