নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 220 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার শহরে অবস্থিত রয়েল পার্ল সুইটস হোটেলে কর্মরত ছিলেন জেসন গোমেজ নামের এক ব্যক্তি। গত ১৪ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তিনি রেস্টুরেন্টের মালামাল কেনার কথা বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে বড় বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। তবে এরপর থেকেই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যা পুরো ঘটনাকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।
হোটেলের বিভিন্ন কর্মচারী সুত্রে জানা গেছে, গোমেজ নামে এই লোক পূর্বেও বিভিন্ন হোটেলে কর্মচারী সেজে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি নতুন কর্মস্থল হিসেবে রয়েল পার্ল সুইট হোটেলে যোগ দিয়ে একই কৌশলে প্রতারণা করেন বলে জানা যায়। তার সঙ্গে এক নারী সহযোগীর সম্পৃক্ততার কথাও উঠে এসেছে, যাকে বিভিন্ন স্থানে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে প্রতারণা সংঘটিত করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও রেস্টুরেন্টের গুরুত্বপূর্ণ হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত নথিপত্রও তার কাছে রয়েছে, যা ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।
এ ঘটনায় হোটেল রয়েল পার্ল সুইটসের ম্যানেজার ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা ও আত্মসাতের ঘটনা। তিনি দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিভিন্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অনেক প্রতারক কর্মচারী সেজে চাকরির আবেদন করে হোটেল মালিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তাদের মতে, জেসন গোমেজের ঘটনাটিও সেই ধরনের একটি প্রতারণার অংশ। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ব্যবসায়ীরা হোটেল-মোটেল জোনের সকল মালিককে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, গোমেজ নামের ওই ব্যক্তিকে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না দেওয়ার জন্যও তারা সম্মিলিতভাবে সতর্কতা জারি করেছেন।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছেন, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।