মোঃ নুরু-সদর প্রতিনিধিঃ | বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 105 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে ভুক্তভোগীর পিতা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে এবং মাতা ফিশারী ঘাট এলাকায় নানার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সুযোগে একই এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র শহিদুল ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, শহিদুল তরুণীকে একা পেয়ে অতর্কিতভাবে ঝাপটে ধরে এবং ধারালো ছুরি দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করে। এরপর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে এবং এক পর্যায়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী চিৎকার ও প্রতিরোধ করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে দেখে অভিযুক্ত দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এর ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)-তে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, কক্সবাজারে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর নারী-৪৮/২৬। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
মামলার পর অভিযুক্ত শহিদুল বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে আপোষের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আপোষে ব্যর্থ হয়ে আসামি ও তার পরিবারের সদস্যরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে উক্ত এলাকায় বসবাস করছেন এবং বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।