নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 36 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
নোটিশ পাওয়া চারজন হলেন- কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক রাশিদুর রহমান, কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আদনান চৌধুরী এবং জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি তাকাহাসকি জানকো।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এ নোটিশ দেন।
জানা গেছে, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য নষ্ট করার অভিযোগে জনস্বার্থে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। ওই রিটের শুনানি শেষে ২০১১ সালে আদালত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য রক্ষা এবং বালিয়াড়ির মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ দেন।
এর আগে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে সৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনাও আদালতের নির্দেশে দুই দফায় অপসারণ করা হয়।
তবে আদালতের ওই নির্দেশনা বহাল থাকা অবস্থায় কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে ও জাইকার অর্থায়নে সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ির ওপর দিয়ে নতুন করে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে- এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের আদালত অবমাননার নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। নোটিশে বলা হয়েছে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এবং অতীতে আদালতের আদেশে বালিয়াড়ির স্থাপনা অপসারণের নজির থাকার পরও সেখানে পুনরায় সড়ক নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করা আদালতের আদেশের লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার শামিল।
নোটিশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বালিয়াড়ির ওপর চলমান সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জানিয়েছেন, নোটিশটি সংশ্লিষ্টদের ই-মেইল ও ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বালিয়াড়ি ও পরিবেশ রক্ষায় আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।