| শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 13 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জ্বালানি খাতে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ সুবিধা বা এককভাবে আমদানির সুযোগ তৈরি করা উচিত নয়। জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোম্পানি নির্বাচন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত টেন্ডার ছাড়া কোনো কোম্পানিকে জ্বালানি আমদানির অনুমোদন না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধীরে ধীরে বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তার দাবি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
উৎপাদনমুখী খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহের দাবি জানিয়ে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, শিল্পকারখানা ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনমুখী খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তার অভিযোগ, বিদ্যুৎ খাতে অরাজকতার পাশাপাশি গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত ও অসংগতিপূর্ণ বিলের বোঝা চাপানো হচ্ছে। তিনি এ ধরনের ‘ভুতুড়ে বিল’ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ খাতের নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগের হাতে থাকায় গ্যাস ও তেল খাতের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়ার জন্য বিএনপি মরিয়া হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থের প্রতিযোগিতা না করে জাতীয় স্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে এ খাতে সংকট আরও বাড়তে পারে। তাই জ্বালানি আমদানি, গ্যাস সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সব ক্ষেত্রেই সুস্পষ্ট নীতিমালা ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।