বার্তা পরিবেশক | শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 16 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজে ৮ আগস্ট ২ সকাল ১১ টায় প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে দীক্ষা দানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী গাইডিং কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন গাইডিং কার্যক্রমের পাশাপাশি গাইড সদস্যদের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার কনফারেন্স আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের আওতাধীন কক্সবাজার জেলার উদ্যোগে শহরের বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে দীক্ষা দানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী গাইডিং কার্যক্রম শুরু হয়।
দীক্ষাদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার ও গ্রেড-১ কর্মকর্তা (অব.) কাজী জেবুন্নেছা বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি জাতীয় কমিশনার (প্রোগ্রাম) প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আহমেদ, বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক শিক্ষাবিদ এম.এম সিরাজুল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ছৈয়দ করিম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা গাইড কমিশনার শামসুন্নাহার। আরও উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জার কমিশনার অধ্যাপক শামীম আরা, জেনারেল সেক্রেটারী তানজিনা বিনতে মোশাররফ, এসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই সময় বক্তারা বলেন,
বাংলাদেশ সরকারের ৩১ নং আইন বলে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশন মেয়েদের জন্য শিক্ষাশ্রয়ী প্রতিষ্ঠান রূপে স্বীকৃত। সরকার, গঠন ও বিধির আওতায় এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত পাঠ্যসূচির সম্পূরক শিক্ষা হিসেবে গার্ল গাইডের শিক্ষা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের মেয়ে শিশু, কিশোরী ও যুবানারীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষাশ্রয়ী কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
দিনব্যাপী গাইডিং কার্যক্রমে বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ ছাড়াও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে মোট ৭০০ জন হলদে পাখি, গাইড ও রেঞ্জার গাইডিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।