সেন্টমাটিন প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 77 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
২৭ আগস্ট বৃহঃপতিবার সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় অভিযোজন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কেয়াগাছ রোপন ও সৈকত পাড়ের রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের হাতে কেয়া চারা বিতরণ করা হয়। দ্বীপের পরিবেশ অধিদপ্তর মেরিনপার্কের সেন্টার প্লাজায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনিক চৌধুরী। সেন্টমার্টিন দ্বীপে পরিবেশ অধিদপ্তরের চলমান প্রকল্প ‘জীববৈচিত্র্যের উপর জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবেলায় অভিযোজন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি সেন্টমার্টিন বিএনপি’র সভাপতি নুরুল আলম আরমান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ আমাদের সম্পদ, এটাকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে, যেহেতু এখানে আমরাই থাকব, আমাদের প্রজন্ম থাকবে। এ সময় তিনি সবাইকে দ্বীপের ক্ষতি হয় এমন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন।
প্রকল্প পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষরোপনের কোন বিকল্প নেই। ইতিমধ্যে আমরা প্রায় ৬ হাজার কেয়া চারা ও প্রায় ১০ হাজারের মত নিসিন্দা গাছ রোপন করেছি বিভিন্ন জায়গায়।
এ ছাড়া আগামীতে আরও গাছ লাগানো হবে। সেন্টমার্টিন দ্বীপকে সোনার ডিমপাড়া হাঁস মনে না করে এটাকে রক্ষা করতে সকল স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনিক চৌধুরী বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। দেশের মানুষের জন্য, দ্বীপের মানুষের জন্য এর সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। এখানকার জীববৈচিত্র্যের প্রতি সকলকে সদয় হওয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন কেয়াগাছ কাটা, কেমিকেল দিয়ে ধ্বংস করার পেছনে যত বড় শক্তি থাকুক তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি, পরিদর্শক হুজাইফা প্রমূখ।
এ সময় অসংখ্য স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রিসোর্ট মালিক-কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনিক চৌধুরীর নেতৃত্বে সৈকতে কেয়া চারা রোপন করা হয় এবং সৈকত পাড়ের রিসোর্ট মালিকদের কেয়া চারা বিতরণ করা হয়।