বিজয় কুমার ধর | সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 110 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সনাতনী শাস্ত্র অনুযায়ী, সাধারণত ষষ্ঠীর দিন দেবী দুর্গা মুখ উন্মোচিত করা হয়, এ সময় লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, সরস্বতীকে নিয়ে দেবী দুর্গা মণ্ডপে অধিষ্ঠিত হন। শাস্ত্র অনুযায়ী আরও জানা যায়, প্রতি শরতে কৈলাস ছেড়ে কন্যারূপে মর্ত্যলোকে আসেন দেবীদুর্গা। তার এই ‘আগমন ও প্রস্থানের’ মধ্যে আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত পাঁচ দিন চলে দুর্গোৎসব।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কক্সবাজারের মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয়েছে ষষ্ঠী পূজা। বছরব্যাপী বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শারদীয় দুর্গা উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। আজ ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারেও শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব। এখন মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে ষষ্ঠী পূজা সঙ্গে ঢাকের বাদ্য ও শঙ্খধ্বনি। জানা গেছে, মণ্ডপে মণ্ডপে সকালে বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা শুরু হয়েছে। এছড়া মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয়েছে চন্ডিপাঠ।
সনাতনী শাস্ত্র অনুযায়ী, পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন হয়েছে গজে অর্থাৎ হাতির পিঠে চড়ে। গজে আগমন বা গমন হলে বসুন্ধরা শস্য শ্যামলা হয়। দশমীতে দেবী মর্ত্যলোক ছাড়বেন দোলায় চড়ে। আর দোলায় দেবীর গমনকে মহামারী বা মড়কের ইঙ্গিত ধরা হয়।
আজ সোমবার মহাসপ্তমী, মঙ্গলবার মহাঅষ্টমী, বুধবার হবে মহানবমীর পূজা। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার দশমী বিহিত পূজা হবে।
এবারে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ৩১৭ টি পূজা মন্ডপে হবে পূজা। তার মধ্যে ১৫২ টি প্রতিমা পূজা, ১৬৫ টি ঘট পূজা।
ডিবিএন/জেইউ।