নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 52 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, মারা যাওয়া শিশুটি হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিল। শিশুটি আগে থেকেই অপুষ্টিতে আক্রান্ত ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, শিশুটি হামের পাশাপাশি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত ছিল এবং চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েও তাকে বাঁচাতে পারেননি। তবে শিশুটির পরিচয় ও মৃত্যুর নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি।
উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে আলাদা হাম ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সেলিম উল্লাহ জানান, এখন পর্যন্ত মোট ১১৯ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন নতুন রোগী বাড়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুর মিঠাছড়ি, শহরের কালুরদোকান, পাহাড়তলি ও রুমালিয়ারছড়া এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।
চিকিৎসকরা জানান, হামের টিকা ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ দেওয়া হয়। অধিকাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হলেও অপুষ্টি ও ভিটামিন-এ ঘাটতির কারণে ঝুঁকি রয়ে গেছে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান- শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।